স্টাফ রিপোর্টার ॥ সদর উপজেলার আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৯নং নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল তালুকদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে অর্থ-কড়ি লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। জনাযায়, শুক্রবার দিনগত রাত ৩ টায় শায়েস্তাগঞ্জ থানার পাশর্^বতী শরিফাবাদ গ্রামে চেয়ারম্যানের নিজ বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। রক্তাক্ত অবস্থায় চেয়ারম্যানকে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি দেখে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে চেয়ারম্যানকে কুপানোর প্রতিবাদে এলাকাবাসি সকাল থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ থানার নছরতপুর নামকস্থানে বিক্ষোভ করে। এতে দুই ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ও হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক ঘটনার সতত্যা নিশ্চিত করে জানান, চেয়ারম্যানের ঘটনাটি সদর থানার অধিনে তবে মহসড়কে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ থামাতে ফোর্স নিয়ে গিয়েছিলাম। গতকাল শনিবার সকাল ১১টা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহাসড়কের পরিস্থিতি শান্ত যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনার খবর শুনে গতকাল শনিবার দুপুর ১২ টায় শ্রীমঙ্গল র্যাব-৯ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা চেয়ারম্যানের বাড়ী পরিদর্শন করেন এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৮/১০ দিন পূর্বে চেয়ারম্যানকে হত্যার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোনে ও ডাকযোগে পত্র পাঠায় এবং এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সমাবেশের পরপরই এ ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে রান্নাঘরের চিপনি চুলার ছাদ ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারী ভাবে কোপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে এবং ঘরে বিভিন্ন অসবাব পত্র আলমারী ও শোকেছ খোলে জরুরী কাগজপত্র, ২০ ভরী স্বর্ণালঙ্কার ও বিপুল পরিমান অর্থ সহ মোবাইল ফোন নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার সময় তার বৃদ্ধ মা ও কাজের লোকজন অন্য রুমে ছিল। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে ৩০/৪০ জন দৃর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে এলাকার লোকজন চেয়ারম্যানকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চেয়ারম্যান আসংকাজনক অবস্থায় আছেন।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply