স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. মোঃ আবু জাহির বলেছেন, বর্তমান সরকার নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুসহ বিভিন্ন মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। উপ মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম পানির নিচ দিয়ে রাস্তা কর্ণফুলি ‘টানেল নির্মাণ করছে। অন্য কোন সরকারের আমলে যা চিন্তাও করা হয়নি। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছি আমরা। হবিগঞ্জও এর ব্যতিক্রম নয়। এখানে মেডিকেল কলেজ, আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও যোগাযোগসহ সকল ক্ষেত্রেই করা হয়েছে অভূতপূর্ব সকল উন্নয়ন। এ সকল উন্নয়ন করা হচ্ছে জনগণের দেয়া আয়করের টাকার মাধ্যমে। উন্নয়ন-অগ্রগতি অব্যাহত রাখার স্বার্থে আয়কর প্রদান করতে হবে। গতকাল রবিবার বেলা ১১টায় হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ৪ দিনব্যাপি আয়কর মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট কর অঞ্চলের যুগ্ম কর কমিশনার সাহেদ আহমেদ চৌধুরী সভাপতিত্বে উদ্বোধনী আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সেলিম মিয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শংকর পাল, অ্যাডভোকেট নলিনী কান্ত রায় নিরু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তাজ উদ্দিন আহমেদ তাজ, মাধবী লতা পাল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ কর অঞ্চলের সহকারী কর কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। আয়োজকরা জানান, ৪ দিনব্যাপি করমেলা থেকে তারা ৫০ লক্ষ টাকা আয়কর পাওয়ার আশা করছেন। গত বছর মেলা থেকে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকা আয় হয়েছিল। এছাড়া সারা বছর হবিগঞ্জ কর অঞ্চল থেকে ৭৬ কোটি টাকা আদায় হবে বলে আশাবাদী তারা। বর্তমানে হবিগঞ্জ কর অঞ্চল তিনটি সার্কেলে বিভক্ত। সার্কেল ১৬ এর আওতায় হবিগঞ্জ সদর, আজমিরীগঞ্জ, লাখাই ও বাহুবল। সাকর্লে ১৭ এর আওতায় মাধবপুর ও চুনারুঘাট এবং সাকর্লে ২২ এর আওতায় নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলা রয়েছে। হবিগঞ্জ কর অঞ্চলে বর্তমানে ১২ হাজার আয়কর দাতা রয়েছেন।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply