আকিকুর রহমান সেলিম ॥ নবীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সিএনজি চালক বেলাল মিয়া হত্যাকান্ড মামলার ৭ আসামী করাগারে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল রবিবার সকালে হবিগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে বিচারক সামসাদ বেগম তাদেরকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, ২৬ এপ্রিল বিকালে শহরের শেরপুর রোডস্থ মা-হোটেলের সামনে দাড়ানো অবস্থায় প্রতিপক্ষ সামছু মিয়া ও ছাত্রদল নেতা রায়েছ চৌধুরী’র নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সিএনজি শ্রমিক বেলাল মিয়া কে কুপিঁয়ে রক্তাক্ত জখম করে। মূমুর্ষ অবস্থায় তাকে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রচুর রক্তকরণ হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত সিলেট নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে স্বজনরা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বেলাল মিয়ার মৃত্যু ঘটে। নিহত বেলাল মিয়া পৌর শহরের নোয়াপাড়া গ্রামের সাবেক পত্রিকার হকার ও সিএনজি ম্যানাজার ফারুক মিয়ার ছেলে। ২৭ এপ্রিল সোমবার বিকালে জানা যার নামাজ শেষে তাকে নোয়াপাড়াস্থ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা ফারুক মিয়া গত ২৮ এপ্রিল রাতে ২৮ জনের নাম উল্লেখ্য করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনকে আসামী করে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা নং ৪১ তাং ২৮/০৪/২০১৫ইং দায়ের করেন। উক্ত মামলার আসামীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে চলে যায়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই নজরুল ইসলাম আসামীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও গ্রেফতার করতে পারে নি। এদিকে মামলার পলাতক আসামীদের মধ্যে গতকাল রবিবার সকালে নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত হিরন মিয়ার ছেলে নাজিম উদ্দিন (৩৬), আব্দুল মালিক (২৯), মৃত রহমত আলীর ছেলে আব্দুল ওয়াহিদ (৪২), আব্দুর রউপ (৩০), আব্দুল লতিফ (২৭), আব্দুল মাহিদ (২৫) এবং আব্দুল মজিদের ছেলে ইলিয়াছ আলী বাবু (১৮) বেলাল হত্যা মামলা এবং আগের দিনের ঘটনার মামলায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট্র আদালতে আত্মসর্মপন করলে দীর্ঘ শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক সামসাদ বেগম তাদেরকে হত্যা মামলায় কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন। এদিকে ঘাঁতকদের ফাঁসির দাবী করেছেন নিহতের পরিবার।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply