
সংবাদদাতা ॥ আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ২ নং বদলপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুরে সংঘবদ্ধ একটি বালু খেকো চক্রের পৃষ্টপোষকতায় লক্ষ লক্ষ ঘন ফুট উত্তোলন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযানে উপজেলার বাকি ইউনিয়ন গুলোতে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলেও পাহাড়পুরে প্রতিনিয়তই উত্তোলিত হচ্ছে বালু। আজমিরীগঞ্জ সদর থেকে পাহাড়পুর যাওয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই অবৈধ বালু উত্তোলন হচ্ছে হর হামেশাই। স্থানীয় ভুমি অফিসের দায়িত্বে থাকা তহসিলদারের নীরব ভুমিকা নিয়েও নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে জন সাধারনের মনে। গতকাল বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাহারপুর বাজার সংলগ্ন চরহাটী (বাশমহালের) সংলগ্ন বড় ড্রেজার মেশিন বসিয়ে ১০ হাজার ঘনফুট ধারন ক্ষমতা সক্ষম নৌকা লোড করা হচ্ছে এবং সেই লোড করা নৌকা নদীর অপর পাড় (সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা থানার) প্রতাপপুরে খালি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা রাবেল রায় সহ বেশ কজনের সাথে আলাপ কালে জানাযায় ৪/৫ দিন পুর্বেও ঠিক একই ভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করার সময় স্থানীয়রা বালু উত্তোলনে বাধা দিলে ওই চক্র স্থানীয়দের সাথে খারাপ আচরন করেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারো শুরু করে বালু উত্তোলন। স্থানীয়রা জানান বালু উত্তোলনের ফলে ইতিমধ্যেই পাহাড়পুর বাজার, মামুদপুর, সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম নদী ভাঙ্গনের মুখে পরেছে। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) উত্তম কুমার দাস বলেন, বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমি শুনেছি ,আমি লোক পাঠিয়েছি, বালু উত্তোলন বন্ধে আমরা যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।