জুয়েল চৌধুরী : মাধবপুরে একটি সিএনজি অটোরিকশা চুরির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে ডাকাতচক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। পরে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি চোরাই সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি প্রাইভেটকার।
গতকাল সোমবার (১৯ মে) বিকেলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এএন এম সাজেদুর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার জানান- গত ৭ মে মাধবপুরে একটি সিএনজি অটোরিকশা চুরি হলে এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ করা হয়। মাধবপুর থানার ওসিএকেএম শামীম হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাধবপুর উপজেলার বড়ধুলিয়া গ্রাম থেকে কাউছার মিয়ার ছেলে শিপন মিয়াকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পুলিশকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং সহযোগীদের নাম প্রকাশ করেন। পরে পুলিশ হবিগঞ্জ জেলার বাহুবলের দিগাম্বর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে বাহুবল উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মোঃ আব্দুর নুর মিয়ার ছেলে মোজাহিদ মিয়া (২৮) গ্রেপ্তার করে। পরে তার তথ্যমতে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার খাইয়াখাই গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে রইচুর রহমান (৩২), সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিঠাপরান গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে মুকিদ মিয়া (৩৯), সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রাজনগর গ্রামের জোনাব আলীর ছেলে জুয়েল আহমদকে (৩৬) গ্রেপ্তার করে। তারাও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আরো সহযোগীর নাম প্রকাশ করে।
তিনি আরো জানান- প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সুখচর গ্রামের মতিন মিয়ার ছেলে নাহিদ মিয়া (২৫), সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বিদায়ছুলফানি গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে জুয়েল মিয়া (৩৩), ওসমানীনগর থানার দিবারাই গ্রামের সিরাজউদৌলার ছেলে রুহেল মিয়াকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারাও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং সহযোগীর নাম প্রকাশ করে। পরে পুলিশ সিলেটের সীমান্ত এলাকা জকিগঞ্জ উপজেলার গোদাধর গ্রাম থেকে ময়নুল হকের ছেলে সালেহ আহমদ ওরফে দুলু (৩০) কে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে মাধবপুর থেকে চুরি হওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ আরো দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং একটি চোরাই প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়।