
গত ৩ জুন ২০২৫ (মঙ্গলবার) স্থানীয় দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকায় “নবীগঞ্জে ওয়ারিশান সনদে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ভূয়া ওয়ারিশান সেজে দলিল রেজিস্ট্রারী ॥ প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ দায়ের” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
সংবাদে আমাদের সম্পর্কে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। প্রতিবেদনে আমাদের নাম এমনভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেন আমরা একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াতচক্রের সদস্য এবং জমি আত্মসাতের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। অথচ বাস্তবে আমরা আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জমি ক্রয় সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। রেজিস্ট্রি, ওয়ারিশান সনদ, নামজারিসহ সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রম যথাযথ কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। এসব বিষয়ে প্রমাণস্বরূপ যথাযথ কাগজপত্র আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে, যা প্রয়োজনে উপস্থাপন করা হবে।
সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে জমির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে’- এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ বানোয়াট। প্রকৃতপক্ষে, সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার, ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের স্বাক্ষরিত ওয়ারিশান সনদের ভিত্তিতেই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দলিল রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি সম্পন্ন হয়েছে। যদি এতে কোনো অনিয়ম থাকত, তাহলে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ তা আগেই বাতিল করত।
অভিযোগকারী মৌলানা হাবিবুর রহমান, যিনি সংবাদ প্রকাশে উৎসাহ দিয়েছেন, তিনি উল্লিখিত দাগ নম্বর ৩০৯-এর কোনো অংশের মালিক নন, না তাঁর নামে, না উত্তরাধিকার সূত্রে। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত শত্রুতা ও সুবিধালাভের উদ্দেশ্যে তিনি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। এতে আমাদের সামাজিক মর্যাদা ও পারিবারিক শান্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়াও, ফতেহ আলমকে সংবাদে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাও বিভ্রান্তিকর। তিনি কেবলমাত্র দলিলের একজন স্বাক্ষরদাতা ও শনাক্তকারী, এ বিষয়ে তার কোনো অবৈধ ভূমিকা নেই।
আমরা এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে অনুরোধ জানাচ্ছি, সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের একপাক্ষিক ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, এর মর্যাদা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
প্রতিবাদকারীদের পক্ষে
মঈনুল ইসলাম।