গত ৩০ জুন দৈনিক হবিগঞ্জ জনতার এক্সপ্রেস ও দৈনিক হবিগঞ্জ সময় পত্রিকায় “নবীগঞ্জে কিস্তির টাকা দিতে না পারায় বসত ঘরে তালা” শীর্ষক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে ব্র্যাকের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিরোনামে প্রতিবাদ ব্যাখ্যাটি আমার দৃষ্টি গোছর হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে আমি অনুপ আচার্য্য জামিনদার নাকি ঘরে তালা দিয়েছি। কথাটি সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মানহানিকর ও কাল্পনিক বটে। আমি তালা মারার প্রশ্নই উঠে না। আমি আমার এলাকার লোকজনকে কেন বা কি কারণে হয়রানী করবো।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে- যেদিন ঘরে তালা মারা হয়েছে এইদিন আমি আমার বাড়ীতে ঘুমে ছিলাম, তখন আমাকে ঘুম থেকে তুলে ডেকে নেন ব্র্যাক (প্রগতি) নবীগঞ্জ বাজার শাখা মালিক টাওয়ার শেরপুর অফিসের ফিল্ড অফিসার সুরঞ্জিত পুরকায়স্থ ও তার সাথে থাকা একজন মহিলা অরবিন্দুর বাড়ীতে নিয়ে যান। পরে বাড়ীতে গেলে দেখা যায় অরবিন্দুর ঘরে তালা মারা। পরবর্তীতে ফিল্ড অফিসার সুরঞ্জিত পুরকায়স্থ ও একজন মহিলা। কিছু সময় অপেক্ষা করে অরবিন্দু বা তার মা কাউকে না পাওয়ায় তাদের ঘরে তালার উপরে আরেকটি তালা মারেন ফিল্ড অফিসার সুরঞ্জিত পুরকায়স্থ। পরে ঘরে তালা লাগিয়ে তালার চাবি আমার কাছে দেন ফিল্ড অফিসার সুরঞ্জিত পুরকায়স্থ এবং বলেন আমি যে সময় বলি তুমি তালা খুলে দিও, চাবিটি তোমার নিকট রাখো। চাবি দেওয়ার ৩ দিনের মাথায় ফিল্ড অফিসার সুরঞ্জিত পুরকায়স্থ আমাকে ফোন দিয়ে বলেন যে অরবিন্দুর মা থানায় একটি মামলা করেছে তাই তুমি বাড়ীতে গিয়ে তালাটি খুলে দিয়ে আস। এরপর আমি বাড়ীতে গিয়ে বসত ঘরের তালা খুলে দিয়ে আসি। গত ৩০ জুন রবিবার স্থানীয় পত্রিকায় প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি দেখতে পাই আমি নাকি ঘরে তালা মেরেছি। যা হাস্যকর ছাড়া আর কিছু নয়। আমি ওই প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রতিবাদকারী
অনুপ আচার্য্য
পূর্ব তিমিরপুর
নবীগঞ্জ পৌরসভা, হবিগঞ্জ।