চুনারুঘাট উপজেলার কালেঙ্গা, রেমা, শায়েস্তাগঞ্জের দেউন্দি ও সাতছড়ি বনাঞ্চলে ব্যাপক হারে মূল্যবান গাছ চুরি ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বনকর্মীদের চোখের সামনে এসব গাছ কেটে পাচার হচ্ছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে। অভিযোগ রয়েছে, শায়েস্তাগঞ্জ শাখার ফরেষ্টার দিপংকরসহ একাধিক বন কর্মকর্তা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে চুনারুঘাট উপজেলার গাজিপুর ইউনিয়নের বালুমারা বনবিটে দুর্বৃত্তরা সরকারি বনাঞ্চলের কয়েকটি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে কিছু গাছ জব্দ করতে সক্ষম হয়। তবে অভিযানের সময় গাছচোররা পালিয়ে যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বড় ধরনের গাছচুরি রাতের পর রাত সংঘটিত হলেও বন কর্মকর্তারা তা দেখেও না দেখার ভান করেন। অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় গাছ পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ লুট হচ্ছে। মাঝে মাঝে লোকদেখানোভাবে কিছু গাছ জব্দ করা হয়, কিন্তু মূল চোর চক্রকে ধরা যায় না। বিশেষ করে শায়েস্তাগঞ্জ ফরেস্ট অফিসে দিপংকর যোগদানের পর থেকে গাছ চুরির মাত্রা বেড়ে গেছে।
স্থানীয়রা সরকারের উচ্চতর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তারা বলেন, “বন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সরকারি বন উজাড় হয়ে যাচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই এই বনাঞ্চল ধ্বংস হয়ে যাবে।”