সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ এখন যেন দুর্নীতি, অদক্ষতা ও ভোগান্তির আরেক নাম। এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন এখানকার জনপ্রতিনিধি ও কিছু কর্মচারীর অনিয়মে সেবা পাওয়া এখন ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদের বেশিরভাগ জনপ্রতিনিধি ও কর্মচারী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি বিভিন্ন মামলার আশঙ্কায় তারা অনেকেই পলাতক রয়েছেন। ফলে পরিষদের কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজ যেমন-ওয়ারিশ সনদ, জন্মনিবন্ধন, বা জাতীয়তা সনদ নিতে সাধারণ মানুষকে সপ্তাহের পর সপ্তাহ দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে। অথচ পাশের ইউনিয়নগুলোতে এসব সেবা মুহূর্তেই পাওয়া যায়।
সুবিদপুরের বাসিন্দা এক সেবাপ্রত্যাশী জানান, “একটা জাতীয়তা সনদ নিতে আমার প্রায় ৭ দিন লেগেছে। চেয়ারম্যান বা মেম্বার কেউ অফিসে থাকেন না। কেউ ফোন ধরেন না।”
অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের অনুপস্থিতি ও দলীয় প্রভাবের কারণে প্রশাসনিক তদারকি প্রায় নেই বললেই চলে। স্থানীয়রা বলছেন, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এ ইউনিয়ন পরিষদটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান থেকে এখন জনভোগান্তির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদারকি জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ সাধারণ মানুষ আবার নির্বিঘ্নে সেবা পাবেন, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।