হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় চুরির মহামারী দেখা দিয়েছে। প্রতিনিয়ত উপজেলার কোথাও না কোথাও দোকান, ঘরবাড়ি কিংবা গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। চোরের উৎপাত সহ্য করতে না পেরে সাধারণ মানুষ দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। নেই কার্যকর কোনো প্রতিকার। এমনকি প্রশাসনও চোরচক্রের অব্যাহত কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১লা সেপ্টেম্বর শিবপাশা গ্রামের সবুজগঞ্জ বাজার সংলগ্ন খলাবাড়ির কাওছার চৌধুরীর স্টেশনারি দোকানে ভোররাতে একদল চোর পিছনের দরজা কেটে প্রবেশ করে। এসময় দোকান থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়। তবে স্থানীয়দের হাতে এক চোর আটক হয়েছিল বলে জানা গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নের নোয়াগড় বাজারে ফুরকান মিয়ার ছেলে ফাহিম মিয়ার দোকানে একই কায়দায় চুরি সংঘটিত হয়। দোকানের চালের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে চোরেরা প্রায় ৪০ হাজার টাকা নগদ এবং লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী ফাহিম মিয়া জানান, “ফজরের নামাজের পর আমার বাবা দোকানের দরজা খোলা দেখে ভিতরে প্রবেশ করলে মেঝেতে কিছু মালামাল পড়ে থাকতে দেখেন। পরে আমি গিয়ে দেখি নগদ টাকা ও বিপুল মালামাল চুরি হয়ে গেছে। বিষয়টি থানায় জানিয়েছি।”
এ প্রসঙ্গে জলসুখা ইউনিয়নের ভিট অফিসার এসআই জিয়াউল করিম বলেন, “আমাকে সকালে খবর দেয়া হলে আমি দোকানে গিয়ে কিছু আলামত সংগ্রহ করি। দোকানের চালের টিন কাটা ছিল। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।”
আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি এখন পর্যন্ত নোয়াগড় বাজারের চুরির বিষয়ে কোনো সংবাদ পাইনি। এসআই জিয়াউল করিমের সঙ্গে আলোচনা করে খোঁজ নেব।”
স্থানীয়দের মতে, লাগামহীন চুরি ঠেকাতে পুলিশি টহল বৃদ্ধি ও চোরচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
Designed by: Sylhet Host BD