
স্টাফ রিপোর্টার : নবীগঞ্জ উপজেলার এক সৌদি প্রবাসীর জমিজমা ও টাকা পয়সা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছাবির আহমেদ চৌধুরীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হবিগঞ্জ এর আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। নবীগঞ্জ উপজেলার ৮নং নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাজে কানাইপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র আলহাজ্ব আব্দুল মালিকের পক্ষে তার খালাতো ভাই গত মঙ্গলবার (৭ জুন) নবীগঞ্জ পৌর এলাকার পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত রমিজ উল্লা তালুকদারের পুত্র তাজ উদ্দিন তালুকদার বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন, নবীগঞ্জ পৌর এলাকার চরগাঁও গ্রামের মৃত হাজী কবির মিয়া চৌধুরীর পুত্র ছাবির আহমেদ চৌধুরী, শেরপুর রোড এলাকার মৃত আঃ ওয়াহাবের পুত্র আফতাব আল মাহমুদ গং মামলায় আরো ২/৩ জনকে রাখা হয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, বাদি তাজ উদ্দিন তালুকদারের ভাই আলহাজ্ব আব্দুল মালিক চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে স্বপরিবারে সৌদিআরবে বসবাস করে আসছেন। সে কারণে তিনি আসামিদের নিকট তার বাড়ির সকল সম্পত্তি ও ব্যবসা বাণিজ্য দেখাশুনার দায়িত্ব দেন। কিন্তু আসামীরা বাদির ভাইয়ের সাথে প্রতারণা করে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা ও সম্পত্তি আত্মসাত করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয় ২নং আসামি প্রভাবশালী ও স্থানীয় হওয়ায় তার অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে বাদির ভাইয়ের সাথে চরম প্রতারণা করে কয়েক কোটি টাকা ও জাল দলিল তৈরি করে উপজেলার রসুলপুর মৌজার সাবেক জেএলনং ১৬৯, হাল জেএলনং ১৭২, সাবেক খতিয়ান ৬/১, হাল খতিয়ান নং ৬৯৪, ডিপি খতিয়ান নং ৬৯৪,৩০৩, সাবেক দাগ ১৪৮, হাল দাগ ৪৫৩, মোয়াজী ১৩ একর ৯৮ শতক লায়েক পতিত, পুকুর ও ফিসারী রকম ভূমি আত্মসাৎ করেন। এ বিষয়ে বাদি প্রতিবাদ করলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। গত ৪ জুন শনিবার বিকালে আসামিরা বাদিকে প্রাণে হত্যার জন্য আক্রমণ করে। এ সময় তিনি কোনো রকমে প্রাণে রক্ষা পান। এরপর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলা মোকদ্দমার কারণে তাকে হত্যা করে খুন করে লাশ গুম করে ফেলতে পারে আসামিরা। এ বিষয়ে ছাবির আহমেদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা। মামলা হয়েছে কি না তিনি জানেন না। মামলা হলে নোটিশ পেলে আইনীভাবে মোকাবেলা করবেন বলেও তিনি জানান।
Designed by: Sylhet Host BD