1. dailyhabiganjshomoy@gmail.com : shomoy2017 : দৈনিক হবিগঞ্জ সময়
September 13, 2026, 7:33 am

নবীগঞ্জে স্ত্রীকে নির্যাতন ও যৌতুক দাবীর অভিযোগে স্বামী কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার
  • Updated Tuesday, August 18, 2026
  • 82

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে স্ত্রীকে নির্যাতন ও ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জনি মিয়া (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তিনি উপজেলার ৯ নম্বর বাউসা ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে।
স্ত্রীকে নির্যাতন ও যৌতুক দাবির অভিযোগে জনি মিয়াসহ পাঁচজনকে আসামি করে জনি মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন। গত ১৬ আগষ্ট (রবিবার) মামলার প্রধান আসামি জনি মিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর রেজিস্ট্রি কাবিননামার মাধ্যমে রিফাতপুর গ্রামের জনৈক নারীর সঙ্গে জনি মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতে তাকে নির্যাতন করা হতো বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। বাদীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী দেওয়া হলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, পরবর্তীতে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাদীর ভাইয়ের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্বামী তাকে তালাক দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে জনি মিয়া তাকে মারধর করেন এবং কাঠের লাকড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। এ সময় হাত দিয়ে আঘাত ঠেকাতে গিয়ে তার হাতে রক্তাক্ত জখম হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে বাদী তার ভাইকে বিষয়টি জানালে তিনি স্বামীর বাড়িতে গিয়ে তাকে নিয়ে আসেন। এ সময়ও জনি মিয়া যৌতুক হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করবেন না বলে জানিয়ে দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী ভরণপোষণ না দেওয়ায় বাদী পরিবারের আর্থিক সহায়তায় জীবনযাপন করছেন। থানায় মামলা করতে গেলে মামলা গ্রহণ না করে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন বাদী।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জয়নাল আবেদন বলেন, বাদীকে নির্যাতনের পর আসামি পালিয়ে যান। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা গেছে, জনি মিয়ার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 dailyhabiganjshomoy.Com
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD