
স্টাফ রিপোর্টার : ইউরোপের দেশ গ্রিসে ঝরে গেলেন নবীগঞ্জের একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। আজির উদ্দিন নামের এই গ্রিস প্রবাসী দীর্ঘদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত সোমবার গ্রিসের স্থানীয় সময় বিকেল ৪ ঘটিকার দিকে এথেন্সের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজির উদ্দিন নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামের মোতাহির আলীর পুত্র।
জানা যায়, জীবিকার তাগিদে প্রায় ৫ বছর পূর্বে প্রবাসে পাড়ি জমান আজির উদ্দিন। তুরস্ক হয়ে গ্রিসে প্রবেশ করে এথেন্সের ওমোনীয় এলাকায় একটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন সেলুনে চাকুরী করেন আজির। চলতি বছরের প্রথম দিকে অসুস্থতাজনিত কারণে বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এরপর বাসায় ফিরে মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। এ অবস্থায় গত ১৪/০৩/২২ইং তারিখে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর প্রচার হয়। এরপর গত ১৭ এপ্রিল খোঁজ মিলে একটি হাসপাতালে। এরপর থেকে সেই হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার গ্রিসের স্থানীয় সময় বিকেল ৪ টার দিকে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তার মৃতদেহ দেশে আনার দাবী জানিয়েছেন স্বজনরা।
এ প্রসঙ্গে গ্রিসের বাংলাদেশি সাংবাদিক ইউরো বাংলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মতিউর রহমান মুন্না বলেন- হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করায় এখানে অনেক আইনি জটিলতা রয়েছে। বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সার্বিক সহযোগীতায় ও গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে যথাযত প্রক্রিয়ায় লাশ দেশে পাঠানো হবে। সব কিছু সম্পন্ন করে লাশ দেশে নিতে ৭-৮ দিন সময় লাগবে। বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি লাশটি দেশে পাঠানোর জন্য ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় কার্যক্রম শুরু করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশটি বাংলাদেশ কমিউনিটির নিকট হস্তান্তর করলে এথেন্সে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে লাশটি কার্গো বিমানের মাধ্যমে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে দূতাবাস।
Designed by: Sylhet Host BD