
জাবেদ তালুকদার : ফজরের নামাজ পড়ে এসে বিছানার উপড় স্ত্রীর গলাকাটা লাশ দেখতে পান স্বামী। খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এছাড়াও নিহত তহুরা বেগমের স্বামী ও ২ পুত্রসহ একাধিক স্থানীয় লোককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নিহত তহুরা বেগম নবীগঞ্জ পৌর এলাকায় চরগাঁও গ্রামের ঝারু মিয়ার স্ত্রী। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় পৌর এলাকার চরগাঁও গ্রামের নিহতের স্বামীর বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে নানা আলোচনা সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত তহুরা বেগমের স্বামী ঝারু মিয়া ফজরের নামাজ পড়ে এসে দেখতে পান বিছানার উপড় গলাকাটা অবস্থায় তার স্ত্রীর লাশ পড়ে আছে। বিষয়টি নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করলে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শৈলেন চাকমা, নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেল এএসপি আবুল খয়ের ও জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি শফিকুল ইসলামসহ ডিবির একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা না হলেও হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী ঝারু মিয়া (৬০) ও ছেলে মঞ্জিল মিয়া (২৭) এবং রমজান মিয়া (২২) সহ একাধিক স্থানীয় লোককে নবীগঞ্জ থানায় নেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী ও ২ পুত্রসহ একাধিক স্থানীয় লোককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
Designed by: Sylhet Host BD