
হাবিবুর রহমান রিয়াদ, আজমিরীগঞ্জ : সিলেট ও সুনামগঞ্জের পর এবার বন্যা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে হবিগঞ্জে। উজানের পাহাড়ি ঢল ও মুষলধারায় বৃষ্টির ফলে কুশিয়ারা-খোয়াই-কালনীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ইতিমধ্যে কিছুস্থানে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে।
জানা যায়- গত কয়েকদিনের টানা উজানের পাহাড়ি ঢল ও মুষলধারায় বৃষ্টির ফলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর অংশে কালনী-কুশিয়ারা নদীর বাঁধ ডুবে কৈয়ারঢালা রাস্তা ভেঙে পানি হাওরে প্রবেশ করছে এবং পাহাড়পুর -করচা সড়কে নিকলির ঢালা ভেঙ্গে হাওড়ে পানি প্রবেশ করেছে । এতে বদলপুরের পাহাড়পুর, পিরোজপুর, পিটুয়ারকান্দা, কাকাইলছেও এবং পৌর এলাকার জয়নগর, আদর্শ নগর, শরীফ নগর নতুনবাড়ী পানিতে তলিয়ে গেছে।
ইতিমধ্যে আজমিরীগঞ্জ সরকারি কলেজ, মিয়াধন মিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, পাহাড়পুর কলেজ, কাকাইলছেও মমচাঁন ভুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যা কবলিত গ্রামের মানুষদের উদ্ধার করে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে।
আজমিরীগঞ্জ সরকারি কলেজ,মিয়াধন মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,পাহারপুর কলেজ,মঁমচান ভুইযা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে প্রায় তিন শতাধিক পরিবার আশ্রয় গ্রহণ করেছে।
এ প্রসঙ্গে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিনহাজ আহমেদ শোভন বলেন, ‘টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুশিয়ারা-কালনী ও খোয়াই নদীর পানি ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজমিরীগঞ্জে রাস্তা ভেঙে পানি ডুকছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা সালেহা সুমী জানান- বিভিন্ন এলাকায় পানি প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে, আমরা বন্যা কবলিত মানুষদের নিরাপদে আনার জন্য চেষ্টা করছি, অনেক মানুষকে নৌকা দিয়ে নিরাপদে আনা হয়েছে। মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে,, কেউ পানি বন্দী হলে তাৎক্ষনিক কাছের স্কুল কলেজে নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য।
Designed by: Sylhet Host BD