
স্টাফ রিপোর্টার : নবীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের নির্মিত্তে দানকৃত ভূমিতে বিদ্যালয় নির্মিত না হলেও বিশেষ একটি মহল কর্তৃক অভিনব জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার ৮নং নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পূর্ব জাহিদপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। দানকৃত ভূমির দলিল ও স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ, ১৯৯৬ সালে নবীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব জাহিদপুর গ্রামের আবদুল সোবহান, আব্দুর রহিম ওরফে কাচা মিয়া এবং মোঃ ফরিদ উদ্দিন ওরফে গেদা মিয়া ৮৭০ নং দলিলে বিদ্যালয় স্থাপনের নির্মিত্তে ৩১ শতক ভূমি হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের অনুকূলে রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করে দেন। এর মধ্যে সোবহান মিয়া দাতা হিসেবে ভূমি দাতা হলেও বাস্তবে তার কোন মালিকানাধীন ভূমি ছিলনা বলে জানা যায়। পরবর্তীতে একই গ্রামের তাজুল ইসলাম ওরফে সামছু মিয়া ১৮৯৩ নং দলিলে ৩৩ শতক ভূমি পূর্ব জাহিদপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেজেষ্ট্রি করে দেন। এক পর্যায়ে সামছু মিয়ার দানকৃত ভূমিতে বিদ্যালয় নির্মিত না হলে নিজের অনুকূলে ফিরিয়ে এনে অন্যত্র বিক্রি করেন। এদিকে, বিদ্যালয় বিহীন এলাকায় প্রস্তাবিত ভূমিতে বিদ্যালয় নির্মিত না হলেও বিশেষ একটি মহল বিদ্যালয় সরকারি করণের নির্মিত্তে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকট ডিও সংগ্রহ করেন। এখবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এনিয়ে ৮৭০ নং দলিলে বর্ণিত দাতা সদস্য মৃত আব্দুর রহিমের পুত্র মোঃ তাহিদ মিয়া বলেন, পূর্ব জাহিদপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের নির্মিত্তে আমার পিতাসহ ৪ জন ১৮৯৩ নং দলিলে ৩৩ শতক ভূমি দান করেন। বাস্তবে দানকৃত ভূমিতে বিদ্যালয় স্থাপিত হয়নি। এর মধ্যে সামছু তার দানকৃত ভূমি নিজের অনুকূলে ফিরিয়ে এনে অন্যত্র বিক্রি করেছে। উত্তরাধিকার সূত্রে আমার পৈত্রিক ভূমি আমার অনুকূলে রয়েছে। সরেজমিনে আলাপকালে সাবেক ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান চুনু মিয়া, ইউপি সদস্য মঈন উদ্দিন, বিশিষ্ট মুরুব্বি ফজল মিয়া ও মোঃ হুসন আলী বলেন, আমাদের গ্রাম বা দানকৃত ভূমিতে বিদ্যালয়ের কোন অস্তিত্ব নেই। আলোচিত ভূমিতে ওয়াহিদ আলী, সাহিদ আলী এবং মিলন বেগম গৃহ নির্মাণ করে বসবাস করছে। চাঞ্চল্যকর এঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সষ্টি হয়েছে।
Designed by: Sylhet Host BD