
স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বরের জামেউল উলুমের সাবেক নায়েবে মুহতামিম ও নাজিমে তালিমাত মাওলানা আহমদ আব্দুল্লাহ চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। গতকাল রোববার (১৮ মে) সিলেটের মাউন্ট এডোরা হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ১২ মে তিনি হার্ট অ্যাটাক করেন। পরে তাকে সিলেটের ওই হাসপাতালে ভর্তি করে সিসিইউতে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তিনি মারা যান। মাওলানা আহমদ আব্দুল্লাহ চৌধুরীর বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার হিয়ালা গ্রামে।
গতকাল রবিবার ১৮ মে বিকেলে বাদ আসর হিয়ালা ঈদগাহ মাঠে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন আহমদ আব্দুল্লাহ চৌধুরীর ছোট ছাহেবজাদা হাফেজ বোরহান চৌধুরী। বানিয়াচং উপজেলার মক্রমপুর ইউনিয়নের হিয়ালা মোল্লাবাড়ি নিবাসী হাজারো আলেমের ওস্তাদ শায়খুল হাদীস মাওলানা আহমদ আব্দুল্লাহ চৌধুরীকে নামাজে জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে পিতার পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। প্রচারবিমুখ দ্বীনি তালিমের খিদমতগার এ শায়খুল হাদীসের জানাজার নামাজে ঢাকা, সিলেট, মৌলভীবাজার সহ হবিগঞ্জের প্রত্যান্ত এলাকার অসংখ্য তালিবে এলিম, সহকর্মী আলেম ওলামা, আত্মীয় স্বজন অংশ গ্রহণ করেন।
জানাজার আগে স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্য রাখেন, সহকর্মী মুফতি আমজাদ হোসেন, মুফতি আহমদ উল্লাহ কাসেমী, মুফতি মইনুল হোসেন, মাওলানা আজিজুর রহমান মানিক, মাওলানা আব্দুল জলিল ইউসুফী, মাওলানা তাফহিমুল হক, মাওলানা আব্দুল হাই বাহুবলী, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মাওলানা আব্দুল হালিম কাসেমী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও উক্ত মরহুমের শশুর বাহুবল তথা হবিগঞ্জ জেলার প্রবীণ আলেম মাওলানা আব্দুল বারী আনসারী।
বিশিষ্ট এই মুহাদ্দিস জামেউল উলুম ছাড়াও হবিগঞ্জের উমেদনগর মাদরাসা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দারুল আরকামে শিক্ষকতা করেছেন। মাওলানা আহমদ আব্দুল্লাহ চৌধুরী অত্যন্ত ছাত্রবান্ধব ছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে ছাত্র ও ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর স্মৃতিচারণ করছেন এবং শোক জানাচ্ছেন।
ছাত্ররা জানান, মাওলানা আহমদ আব্দুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন ছাত্র গড়ার মহান কারিগর। অত্যন্ত পরিশ্রমী আলেম ছিলেন। তিনি জীবনভর ইলমের আলো ছড়িয়েছেন। তাঁকে যেন আল্লাহ জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করেন সেই দোয়া করছেন সবাই।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply