
মাধবপুর উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামে সৌদি আরবে প্রবাসীদের বিবাদ নিয়ে বুধবার বিকেলে দু’দলের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সহিদ উল্লাহসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর।
আহতদের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল এবং হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সৌদি আরবে বুল্লা গ্রামের ধলাই মিয়ার ছেলের সঙ্গে একই গ্রামের প্রবাসীদের ভিসা জটিলতা নিয়ে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ধলাই মিয়া ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়পক্ষই এ ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে এ দুই পক্ষের মধ্যে গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব চলছিল।
গতকাল বুধবার (১৩ আগষ্ট) বিকেলে এ ঘটনার জের ধরে শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। খবর পেয়ে ওসি সহিদ উল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ওসিও আহত হন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- রাসেল মিয়া (১৮), রাশেদ মিয়া (১৮), বাবুল মিয়া (৬০), মন্নান মিয়া (২৭), ইছব মিয়া (৩৫), জালাল উদ্দিন (৩৫), শাহ আলম (৪০), ইউনুছ মিয়া (৬০), লিটন মিয়া (৩৫), রহমত উল্লাহ (২৪), জালাল মিয়া (২৬), সুন্দর আলী (৪২), নয়ন মিয়া (১৬), আদম খা (৩০), ফারুক মিয়া (৫০), শরীফ উদ্দিন (৫০), ছোয়াব মিয়া (৪০), ছায়েদুল (৪০), চুন্নু মিয়া (৫৫), জলফু মিয়া (৬১), শাকিল মিয়া (২০), শাহাব উদ্দিন (৫১), নুরুল হক (৫০), সাগর (১৬), পাবেল (২৪), দুলাল মিয়া (৪৫), রাশেদ মিয়া (১৫), মন্টু মিয়া (৫০), মিরাজ মিয়া (২২), সোহরাব (৩৫)।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদ উল্লাহ জানান, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”
Designed by: Sylhet Host BD