1. dailyhabiganjshomoy@gmail.com : shomoy2017 : দৈনিক হবিগঞ্জ সময়
September 13, 2026, 8:20 am

সোনালী স্বপ্নে ভাসছে বানিয়াচংয়ের হাওর

Reporter
  • Updated Wednesday, April 23, 2025
  • 115

স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচংয়ের হাওরজুড়ে এখন শুধু সোনালী ধানের শীষের দোলা। যতদূর চোখ যায়, ততদূর বিস্তৃত সবুজ মাঠ আর পাকা ফসলের ঝলকানি। এই অপরূপ প্রকৃতির মাঝে বোরো মৌসুমের শেষ প্রান্তে এসে কৃষকের হৃদয়ে এখন একটাই আশা ফসল ঘরে তোলা।
অনাবৃষ্টি আর খরার কারণে শুরুটা যতটা কঠিন ছিল, ততটাই স্বস্তি এনেছে সাম্প্রতিক বৃষ্টি। এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে বৃষ্টিনির্ভর হাওরের আবাদি জমি। অনেক জমিতে ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে, বাকিগুলোও কাটা শুরু হবে কয়েক দিনের মধ্যেই। প্রকৃতির বড় কোনো বিপর্যয় না হলে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনের আশা করছেন কৃষকরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি হাওরজুড়ে ধানের শীষ বাতাসে দুলছে—হাজারো কৃষকের পরিশ্রম আর স্বপ্নের প্রতীক হয়ে। দখিনা হাওয়ার ছোঁয়ায় যেন নেচে উঠছে মাঠের ফসল, যা নতুন আশার বার্তা দিচ্ছে কৃষকদের।
তবে শুরুটা ছিল অনেক কঠিন। তীব্র খরায় মাটি ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল অনেক জায়গায়। গভীর নলকূপের আওতায় থাকা জমিগুলো কিছুটা রক্ষা পেলেও অনেক কৃষক পড়েছিলেন বিপদে। পানি সেচ দিয়েও অনেক সময় চাহিদা পূরণ করা যায়নি। এরপর হঠাৎ বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও কৃষকরা এখনো দুশ্চিন্তামুক্ত নন।
স্থানীয় কৃষক শাহজাহান মিয়া জানান, “এই চাষাবাদ অনেকটা জুয়া খেলার মতো। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের সবচেয়ে বড় ভয়। ফসল গোলায় তোলা না পর্যন্ত চিন্তা কাটে না।”
অন্য এক কৃষক খালেদ মিয়া বলেন, “শ্রমিক সংকট, খরার চাপ-সবকিছু মিলে এবার উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। তারপরও এখন আমরা গোলা প্রস্তুত করছি, ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এনামুল হক জানান, এ বছর বানিয়াচংয়ে ৩৩,৭০৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২,০৮,৯৭১ মেট্রিক টন।
তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আমরা আশাবাদী। পাকা ধান দ্রুত কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
এরইমধ্যে হাওর এলাকায় ৫৫% এবং নন-হাওর এলাকায় ১০% ধান কর্তন হয়ে গেছে। মাঠে রয়েছে ৯৬টি আধুনিক হারভেস্টার। কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে চলছে ধান কর্তনের কাজ। আশা করা হচ্ছে, এবার সঠিক সময়েই কৃষকের গোলা ভরবে সোনালী ফসলের গন্ধে।সোনালী স্বপ্নে ভাসছে বানিয়াচংয়ের হাওর

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিশ্বের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচংয়ের হাওরজুড়ে এখন শুধু সোনালী ধানের শীষের দোলা। যতদূর চোখ যায়, ততদূর বিস্তৃত সবুজ মাঠ আর পাকা ফসলের ঝলকানি। এই অপরূপ প্রকৃতির মাঝে বোরো মৌসুমের শেষ প্রান্তে এসে কৃষকের হৃদয়ে এখন একটাই আশা ফসল ঘরে তোলা।
অনাবৃষ্টি আর খরার কারণে শুরুটা যতটা কঠিন ছিল, ততটাই স্বস্তি এনেছে সাম্প্রতিক বৃষ্টি। এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে বৃষ্টিনির্ভর হাওরের আবাদি জমি। অনেক জমিতে ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে, বাকিগুলোও কাটা শুরু হবে কয়েক দিনের মধ্যেই। প্রকৃতির বড় কোনো বিপর্যয় না হলে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনের আশা করছেন কৃষকরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি হাওরজুড়ে ধানের শীষ বাতাসে দুলছে—হাজারো কৃষকের পরিশ্রম আর স্বপ্নের প্রতীক হয়ে। দখিনা হাওয়ার ছোঁয়ায় যেন নেচে উঠছে মাঠের ফসল, যা নতুন আশার বার্তা দিচ্ছে কৃষকদের।
তবে শুরুটা ছিল অনেক কঠিন। তীব্র খরায় মাটি ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল অনেক জায়গায়। গভীর নলকূপের আওতায় থাকা জমিগুলো কিছুটা রক্ষা পেলেও অনেক কৃষক পড়েছিলেন বিপদে। পানি সেচ দিয়েও অনেক সময় চাহিদা পূরণ করা যায়নি। এরপর হঠাৎ বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও কৃষকরা এখনো দুশ্চিন্তামুক্ত নন।
স্থানীয় কৃষক শাহজাহান মিয়া জানান, “এই চাষাবাদ অনেকটা জুয়া খেলার মতো। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের সবচেয়ে বড় ভয়। ফসল গোলায় তোলা না পর্যন্ত চিন্তা কাটে না।”
অন্য এক কৃষক খালেদ মিয়া বলেন, “শ্রমিক সংকট, খরার চাপ-সবকিছু মিলে এবার উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। তারপরও এখন আমরা গোলা প্রস্তুত করছি, ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এনামুল হক জানান, এ বছর বানিয়াচংয়ে ৩৩,৭০৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২,০৮,৯৭১ মেট্রিক টন।
তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আমরা আশাবাদী। পাকা ধান দ্রুত কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
এরইমধ্যে হাওর এলাকায় ৫৫% এবং নন-হাওর এলাকায় ১০% ধান কর্তন হয়ে গেছে। মাঠে রয়েছে ৯৬টি আধুনিক হারভেস্টার। কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে চলছে ধান কর্তনের কাজ। আশা করা হচ্ছে, এবার সঠিক সময়েই কৃষকের গোলা ভরবে সোনালী ফসলের গন্ধে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 dailyhabiganjshomoy.Com
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD