
লন্ডন প্রতিনিধিঃ ‘প্রাণেরটানে শিকড়ের গানে, এসো মাতি মিলন উৎসবে’ স্লোগান দিয়ে লন্ডনে এই প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হল দিনব্যাপী ‘সিলেট উৎসব’। ইষ্ট লন্ডনের ব্রাডি আর্টস সেন্টারে লন্ডন সময় বিকেল দুইটায় উৎসবের উদ্বোধন করেন লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার নাজমুল কাওনাইন ও ইষ্টলন্ডনের বাঙালী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পীকার সাবিনা আক্তার। তাঁর সাথে ছিলেন সিলেটের সাবেক এমপি, ব্রিটেনের এক সময়ের শীর্ষ কমিউনিটি নেতা শফিকুর রহমান চৌধুরী ও লন্ডনের বাঙ্গালী কমউনিটির বিশিষ্টজনেরা।
অনুষ্ঠান শুরুর পরপরই উৎসবে এসে যোগ দেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রথম বাংলাদেশী ও সিলেটি বংশোদ্ভূত এমপি রোশনারা আলী, টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগসসহ বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলাররা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কমিটির চেয়ারম্যান আনসার আহমেদ উল্লা, সেক্রেটারী আহাদ চৌধুরী বাবুর স্বাগত বক্তব্যের পর বক্তব্য রাখেন রোশনারা আলী এমপি, টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস, সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী, টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পীকার সাবিনা আক্তার, লন্ডনের বাংলা মিডিয়ার সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। বক্তৃতা পর্বের পরেই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্টান এতে স্থানীয় শিলিপিরা পরিবেশন করেন সিলেট অঞ্চলের বিয়ের গান, ধামাইলনৃত্য, বাউল গান, জারী, পুথিপাঠ ও আবৃত্তি। আয়োজন করা হয় ফ্যশন শো‘র এতে স্থান পায় বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী মনিপুরিদের হাতের তৈরী পোষাক সামগ্রী। তাতের শাড়ী ও সিলেট সব মানুষের প্রীয় ধুতি ইত্যাদি। আগতের পরিবেশন করা হয় সিলেট অঞ্চলের চা সাথে আদি ঐতিহ্য পান সুপারী। আয়োজকরা জানান এটি তাদের প্রথম ,ভবিষ্যতে আরো বড়পরিসরে আয়োজন করার ইচ্ছে আছে তাদের। অনুষটানটি চলে রাত নয়টা পযরন্ত।উৎসবে যোগ দিতে বৃটেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন শত শত মানুষ। এ যেন দেশের বাইরে দ্বিতীয় সিলেট। প্রতি বছর ভারতের কলকাতায় নিয়মিত সিলেট উৎসব পালিত হয়ে আসলেও লন্ডনে এই প্রথম। উৎসবে প্রকাশ করা একটি স্মরনিকাও। এতে বিলেত এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখকদের লিখা স্থান পায়।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply