হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল প্রায় ৯টার দিকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক দুই ইউপি সদস্য আমেরিকা প্রবাসী হাজী কাপ্তান মিয়া ও ফখরুল ইসলাম জুয়েলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। সম্প্রতি একই গ্রামের নানু মিয়ার সঙ্গে হারুন মিয়া ও হাদিছ মিয়ার বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই জেরে প্রবাসী হাজী কাপ্তান মিয়ার সমর্থকরা নানু মিয়ার পক্ষে এবং ফখরুল ইসলাম জুয়েলের সমর্থকরা হারুন মিয়া ও হাদিছ মিয়ার পক্ষে অবস্থান নিলে বৃহস্পতিবার সকালে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রুমন মিয়া (২৮), ইউসুফ মিয়া (৪০), হারুন মিয়া (৪৫), রাহুল মিয়া (২৮), কাইয়ুম (২৮), খাইরুল (২৪), মামুন (৪৫), রনি (১৮), জাহেদ (২৮), ইমাদ (২৪), মান্নান (৪৫), জালাল (২৫), তানভীর মিয়া (২০), জাহান মিয়া (১৮), মিন্টু (৪০), জাকির (১৮), ইমন (২৫), রুহুল (২৮), ফারুক (৪০), জুনাব আলী (৪০), সাহেদ মিয়া (২৫), নূর আলী (৩৬), মুস্তাকিন (৩০)সহ আরও অনেকে।
আহতদের মধ্যে প্রায় ৬০ জনকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত প্রায় ৪০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন এবং ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মঈনুল ইসলাম সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply