
সময় ডেস্ক : দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হলেও বাজারে এখন পর্যন্ত নতুন দরের সয়াবিন তেলের বোতল দেখা যায়নি। তবে এরই মধ্যে দাম বেড়ে গেছে। আগের বোতলই কেউ কেউ বিক্রি করছেন বাড়তি দরে। সরকারের দেওয়া মূল্য সংযোজন কর (মূসক) অব্যাহতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছে ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নতুন দরের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা, ৫ লিটার ৯৬০ টাকা এবং খোলা সয়াবিনের লিটারের দাম ১৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া পাম সুপার অয়েলের দর নির্ধারণ করা হয় প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা। এতদিন খোলা সয়াবিনের লিটার ১৬৭, বোতলজাত সয়াবিনের এক লিটার ১৮৭, পাঁচ লিটার ৯০৬ টাকা এবং পাম অয়েলের লিটার ১১৭ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, কোম্পানির ডিলাররা আগের দামে কেনা তেলে কমিশন দিচ্ছেন না খুচরা ব্যবসায়ীদের। ডিলাররা বোতলের গায়ের দরে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে তেল বিক্রি করছেন। কিন্তু কোনো ক্রয় রসিদ দিচ্ছেন না। ফলে খুচরা ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে বোতলের গায়ের দরের চেয়ে বেশি দরে বিক্রি করছেন। তবে তাঁরা খোলা সয়াবিন ও পাম ওয়েল বিক্রি করছেন নতুন দরে।
তবে চিনির বাজারে এখনও স্থিতিশীলতা আসেনি। প্যাকেটজাত চিনির দেখা মিলছে না বাজারে। খোলা চিনি পাওয়া গেলেও ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে নির্ধারিত দরের চেয়ে কমবেশি ৩৫ টাকা। সরকার খোলা চিনির দর ১০৪ টাকা বেঁধে দিলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।
Designed by: Sylhet Host BD