
সময় ডেস্ক : গেল ওয়ানডে বিশ্বকাপে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘টাইমড আউট’ হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। তাকে আউট দেওয়া আম্পায়ার মারাইস এরাসমাস এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারিংকে বিদায় বললেন। এ বছরের এপ্রিলে ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন ৬০ সাবেক প্রোটিয়া তারকা। ফলে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজ হবে তার ক্যারিয়ারের শেষ সিরিজ।
অবসরের বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে এরাসমাস বলেছেন, ‘গত বছরের অক্টোবরে আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং আইসিসিকে আমার সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবগত করেছিলাম। আমার চুক্তি এপ্রিলে শেষ হবে এবং এটাই হবে শেষ।’
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আম্পায়ারিং ছেড়ে দিলেও কিছুদিন বিরতির পর ঘরোয়া ক্রিকেটে চালিয়ে যাবেন এরাসমাস, ‘প্রথম দুই মাস শীতকালীন ছুটি কাটাব। সেপ্টেম্বর থেকে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার (সিএসএ) অধীন চলে যাব।’
দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্বে পেয়েছিলেন। মেলবোর্নে ২০১৫ ফাইনালে ছিলেন টিভি আম্পায়ার, চার বছর পর লর্ডসে ‘বেয়ারেস্ট অব অল মার্জিনস’-এর ফাইনালে ছিলেন মাঠেই। তিনবার আইসিসি বর্ষসেরা আম্পায়ারের স্বীকৃতিও পেয়েছেন মারাইস এরাসমাস।
দেড় যুগে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৩৭৮ ম্যাচ (১২৫ টেস্ট, ১৯২ ওয়ানডে, ৬১ টি-টোয়েন্টি) পরিচালনা করেছেন। মেয়েদের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন ৭৯টি। ২০১০ সালে স্বদেশি আম্পায়ার রুডি কোয়ের্তজেন অবসর নিলে তার জায়গায় আইসিসির এলিট প্যানেলভুক্ত হন এরাসমাস।
আম্পায়ারিং শুরুর আগে পুরোদস্তুর খেলোয়াড় ছিলেন এরাসমাস। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাদেশিক দল বোল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন ৫৩টি প্রথম শ্রেণির ও ৫৪টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ।
এরাসমাসের অবসরে আইসিসি এলিট প্যানেলে আম্পায়ারের সংখ্যা কমে হলো ১১। একমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে রয়ে গেলেন অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টক।
Designed by: Sylhet Host BD