1. dailyhabiganjshomoy@gmail.com : shomoy2017 : দৈনিক হবিগঞ্জ সময়
September 13, 2026, 9:43 am

শিক্ষাবোর্ডকে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭১ শিক্ষার্থীর চ্যালেঞ্জ

Reporter
  • Updated Tuesday, June 9, 2020
  • 455

সময় ডেস্ক : চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট নয় সারাদেশের ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭১ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিলো ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫৮ জন।  সে তুলনায় এবার রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় সাব কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এসএসসির বিভিন্ন বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়নের জন্য এবার বোর্ডে চ্যালেঞ্জ করে মোট ৪ লাখ ৮১ হাজার ২২২টি বিষয়ের খাতা নিয়ে আপত্তি তুলে আবেদন করা হয়েছে।  গত ৩১ মে প্রকাশিত হয় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল। এবার সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা গতবছর ছিলো ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন, যা গত বছর পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। পরীক্ষার ফলে আপত্তি থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য গত ১ জুন শুরু হয় পুনঃনিরীক্ষার আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে গত রোববার (৭ জুন) শেষ হয়।

বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ড থেকে জানা গেছে, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ লাখ ৩৮ হাজর ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী তাদের কাঙ্খিত ফল না পেয়ে মোট ৪ লাখ ৮১ হাজার ২২২ টি বিষয়ে ফল পরিবর্তনের প্রত্যাশায় আপত্তি জানিয়ে আবেদন করেছে। তার মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৬০টি, বরিশালে ২৩ হাজার ৮৫০টি, চট্টগ্রামে ৫২ হাজার ২৪৬টি, দিনাজপুরে ৪০ হাজার ৭৫টি, রাজশাহীতে ৪৪ হাজার ৬১টি, সিলেটে ২৩ হাজার ৭৯০টি, কুমিল্লা বোর্ডে ৩৯ হাজার ৩০৩টি, ময়মনসিংহে ৩১ হাজার ৩৩১টি, মাদরাসা বোর্ডে ২৮ হাজার ৪৮৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১৭ হাজার ৫৩৮টি বিষয়ে খাতা পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছে। যার মধ্যে ঢাকা বোর্ডে আবেদনের সংখ্যা সব চাইতে বেশি। এ বোর্ডে ৫৯ হাজার ৭৯০ জন আবেদনকারী বিভিন্ন বিষয়ের ফলে আপত্তি জানিয়ে আবেদন করেছে।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, একেকজন শিক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছে। তার মধ্যে ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, বাংলা বিষয়ে আবেদন সবচেয়ে বেশি রয়েছে। এসব বিষয়ে আশানুরূপ নম্বর না পাওয়ায় তারা খাতা পুনঃমূল্যালয়ের জন্য আবেদন করেছেন।

তারা জানান, পাবলিক পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়নের ক্ষেত্রে সবকটি উত্তরে নম্বর দেয়া হয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক রয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে (কম্পিউটারে ফল প্রণয়নে পাঠযোগ্য ফরম) উত্তোলনে ভুল হয়েছে কি-না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট ঠিক আছে কি-না এসব বিষয় পুনর্রায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে। বিষয়গুলো ঠিক থাকলে তবে সেই খাতা নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে। আগামী ৩০ জুন ফলাফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীর মোবাইল নম্বরে খাতা পরিবর্তিত নম্বর, গ্রেডসহ ফল পাঠানো হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক সমকালকে বলেন, ২০ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে আড়াই শতাংশের মতো পরীক্ষার্থী খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছে। অনেকে ভাবে একটা আবেদন করে দেখি, নম্বর কিছু বাড়ে কি না? অনেকে আবার সিরিয়াসলিই ফল পরিবর্তনের আত্মবিশ্বাস থেকে আবেদন করে।

তিনি বলেন, এসব আবেদনকারীর মধ্যে যারা এক বা দুই নম্বর কম পাওয়ায় জিপিএ-৫ পাননি অথবা কৌতূহলী হয়েও কেউ কেউ আবেদন করে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 dailyhabiganjshomoy.Com
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD