
সময় ডেস্ক ॥ করোনা থেকে সেরে গেলেও কোভিড-১৯ রেখে যেতে পারে হৃদযন্ত্রের ক্ষতচিহ্ন। অনেক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, করোনা সংক্রমণ হয়ে এ থেকে সেরে ওঠা অনেকের হৃদযন্ত্রে বয়ে যায় ক্ষতি, আর এর মাত্রাও কম নয়। হয়তো আগে তাদের হৃদরোগ ছিল না বা এ জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণ ঘটেনি। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা এমন কয়েকজনের মধ্যে হার্ট ফেলিউর হওয়াতে বেশ উদ্বিগ্ন। বিশ্বমারীর গোড়ার দিকে, অনেক বেশি যারা হাসপাতালে ভর্তি হতো এদের অনেকের মধ্যে হৃদপিণ্ড আহত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যেত, বলেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃদরোগ বিভাগের প্রধান ডা. গ্রেন ফনারো। আজকাল দেখা যাচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি হননি এমন করোনা রোগীর মধ্যে হৃপিণ্ড আহত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। এমন হতে পারে, কিছু রোগী আছেন যাদের সংক্রমণ হল, এত মারাত্মক হয়তো নয়, কিন্তু থেকে গেল হৃদযন্ত্রে জটিলতা। সমস্যাটি হলো হৃদযন্ত্রে প্রদাহ, মায়োকার্ডাইটিস : হৃদপেশি প্রদাহ থেকে হলো শেষে হার্ট ফেলিউর, নিষ্ক্রিয় হতে চলল হৃদযন্ত্র। এমনও হতে পারে, বলেন ডা. গ্রেন ফনাবো, কারও হয়তো আগে থেকেই হৃদরোগ ছিল, কিন্তু কোভিড-১৯ নেই। অথচ তারা হাসপাতালে এলেন না করোনা সংক্রমণের ভয়ে। শেষ পরিণতি হতে পারে হার্ট ফেলিউর বা হৃদনিষ্ক্রিয়া। তাই হার্টের রোগ বা স্ট্রোকের উপসর্গ কারও হলে জরুরি বিভাগে এসে পরামর্শ ও চিকিৎসা নিয়ে স্বস্তি পাওয়া উচিত। কোভিড-১৯ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি এক চতুর্থাংশ রোগীর মধ্যে হৃদযন্ত্রের জটিলতা যে দেখা গেছে, আর করোনার কারণে মৃত্যুর ৪০ শতাংশ হতে পারে এ কারণে।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply