1. dailyhabiganjshomoy@gmail.com : shomoy2017 : দৈনিক হবিগঞ্জ সময়
September 13, 2026, 12:53 pm

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের লক্ষণ

Reporter
  • Updated Thursday, June 22, 2023
  • 209

সময় ডেস্ক : প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় শরীরের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি, যা পেটে বাঁ দিকে পাকস্থলীর পেছনে আড়াআড়ি থাকে। এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে। এক. ইনসুলিন তৈরি, যা দেহের বিপাক ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে। দুই. পাচক রস তৈরি, যা খাবার হজমে সাহায্য করে। বর্তমানে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার বাড়ছে। এটি এমন একটি ক্যানসার, যা অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। যখন শরীরের অন্যান্য অঙ্গে বা চতুর্থ বা পঞ্চম ধাপে পৌঁছায়, তখন রোগটি শনাক্ত করা যায়। ফলে চিকিৎসা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ক্লান্তিবোধ, ক্ষুধা অনুভূত না হওয়া, অরুচি, ওজন হ্রাস, পেটের ওপরের দিকে ব্যথা, পিঠে ব্যথা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি দিনে দিনে বাড়তে থাকে। আরও অগ্রসর হলে জন্ডিস, পেটে পানি দেখা দিতে পারে।
অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের সঠিক কারণ জানা নেই। তবে ধূমপান, ডায়াবেটিস, অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের পারিবারিক ইতিহাস, অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ, মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন, অত্যধিক ওজন বৃদ্ধি অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের দুটি ধরন আছে :
১. অ্যাক্সোক্রাইন অগ্ন্যাশয় ক্যানসার। যেসব কোষ পাচক রস তৈরি করে, সেখান থেকে এই ক্যানসার উৎপন্ন। প্রায় ৯৫ ভাগ রোগীর অ্যাক্সোক্রাইন অগ্ন্যাশয় ক্যানসার হয়।
২. অ্যান্ডোক্রাইন অগ্ন্যাশয় ক্যানসার। ইনসুলিন ও অন্যান্য হরমোন তৈরি করে, এমন সব কোষ থেকে উৎপত্তি হয়।
অগ্ন্যাশয় ক্যানসার প্রথম পর্যায়ে অগ্ন্যাশয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। দ্বিতীয় পর্যায়ে অগ্ন্যাশয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেই টিউমার আকারে ২ থেকে ৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যায়। তৃতীয় পর্যায়ে টিউমারটি আকারে ৪ সেন্টিমিটারের বেশি এবং কাছাকাছি লসিকা গ্রন্থিগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। চতুর্থ পর্যায়ে ক্যানসার নিকটস্থ রক্তনালি বা স্নায়ুতে ছড়িয়ে পড়ে। পঞ্চম পর্যায় শরীরের দূরবর্তী অঙ্গেও ছড়িয়ে পড়ে।
চিকিৎসার ধরন : ক্যানসার কোন পর্যায়ে আছে এবং গ্রেডের ওপর নির্ভর করে অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের চিকিৎসা করা হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে চিকিৎসা সার্জারি। এ ক্ষেত্রে ক্যানসার পুরোপুরি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে পৌঁছে গেলে ক্যানসার নির্মূল অসম্ভব হয়ে পড়ে। তখন চিকিৎসক প্যালিয়েটিভ অপারেশন করেন। আর পঞ্চম পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হলে কেবল আনুষঙ্গিক সমস্যাগুলো নিরাময়ের চিকিৎসা করা হয়। ক্ষেত্রভেদে সার্জারি, কেমোথেরাপি, ওষুধ ও রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 dailyhabiganjshomoy.Com
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD