
নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম তিমিরপুরে গ্রামীণ ফোনের টাওয়ারের একটি রুমে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার সময় হাতেনাতে সিলেট ও যশোহরের ২ যুবক ও বি-বাড়িয়া সদরের ১ যুবতি পতিতাকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকাল ৪ টার দিকে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ ওইদিন রাতে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ এর কার্যালয়ে হাজির করলে খদ্দেরদেরকে ৫ শত টাকা করে জরিমানা ও পতিতাকে ১ দিনের কারাদন্ড প্রদান করেন। জানা যায়, গতকাল উল্লেখিত সময়ে স্থানীয় কিছু লোক পৌর এলাকার পশ্চিম তিমিরপুরস্ত গ্রামীণফোনের টাওয়ারের নিকটে যাওয়া মাত্রই দেখতে পান ৩ যুবক ও বোরকা পড়িহিত ১ যুবতি রহস্যজনকভাবে টাওয়ারের দারোয়ান থাকার একটি রুমে ডুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। বোরকা পড়িহিত যুবতিসহ ৩ যুবক রুমে ডুকে রুমের দরজা বন্ধ করার বিষটি তাদের সন্দেহ হলে কয়েকজন ওই টাওয়ারের গেইটের ভিতরে প্রবেশ করে রুমের দরজা খুলে ওই যুবক-যুবতিকে অনৈতিক লিপ্ত অবস্থায় দেখতে পান। লোকজনের জিজ্ঞাসাবাদে যুবতি ও ২ যুবক জানায় তারা টাওয়ার মেরামত করতে সিলেট থেকে এসেছে। ঘটনার খবরে আশপাশের শত শত জনতা টাওয়ার ঘেরাও করে তাদেরকে প্রায় আধা ঘন্টা সময় আটক করে রাখে। এক পর্যায়ে আটককৃতদের গনধোলাই দিলে তারা গ্রামীণ ফোনের টাওয়ারের ব্যাটারী চার্জের জন্য মেটাল প্লাস কোম্পানি থেকে এসেছে বলে জানায়। এক পর্যায়ে তারা সিলেট থেকেই অনৈতিক কাজের এ পরিকল্পনা করে নবীগঞ্জে আসে এবং সিলেট থেকে আসার আগেই উক্ত টাওয়ারের ভারপ্রাপ্ত দারোয়ান পৌর এলাকার জয়নগর গ্রামের শ্যাবনের মাধ্যমে পতিতালয়ের ওই যুবতিকে নির্ধারিত সময়ে টাওয়ারে উপস্থিত রাখা হয় বলে স্বীকার করে। তবে টাওয়ারের ভারপ্রাপ্ত দারোয়ান শ্যাবল বলে মেটাল প্লাস কোম্পানির গাড়ির ড্রাইভার রুবেল মিয়া ওই পতিতাকে সিলেট থেকেই নিয়ে এসে তার রুমে ডুকে এ অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছে। উক্ত পতিতা রানু বেগম বি-বাড়িয়া সদরের আব্দুল করিমের মেয়ে বলে জানা গেছে। পরে নবীগঞ্জ থানায় খবর দেওয়া হলে নবীগঞ্জ থানার এস.আই নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে আটককৃতদের থানায় নিয়ে আসে। আটকৃতরা হল, সিলেট উপশহর এলাকার সাদ্দাম হোসেনের ছেলে রুবেল মিয়া (২২), যশোহরের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রবিউল হোসেন (২১)।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply